মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C

সাধু আন্দ্রিয়ের মিশন

পর্যটন, পরিভ্রমনের জন্য হালুয়াঘাট বেশ উপযোগী এবং ইতিহাস ঐতিহ্যময় উপজেলা। পাহাড়, ছোট ছোট নদী গ্রাম বাংলার চিরায়িত সবুজ আচ্ছাদন ভ্রমন পিপাসু মানুষের মনকে নির্মল আনন্দে ভরে তুলতে সক্ষম।

দর্শনীয় স্থানের মধ্যে সাধু আন্দ্রিয়ের মিশন অন্যতম। ভারতীয় কয়লা এখানে আমদানী করা হয়। সীমান্তের কোল ঘেষা কয়লার পোর্টের পাশেই রয়েছে অরণ্য ঘেরা সম উচ্চতা সম্পন্ন পাহাড়। যেখানে উঠে অনায়াসে ভারতের সমতল ভূমি ও নয়নাভিরাম দৃশ্য দেখা যাবে। মুক্তি যুদ্ধের স্মৃতি স্তম্ভের  পাশে এসে দাড়ালেই স্বশ্রদ্ধ চিত্তে সম্মান এসে প্রাণে আছরে পড়বে। গীর্জা ঘরটি অনেক উচু  যা দেখবর

সাধু আন্দ্রিয়ের মিশন, বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রথম চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান মেরী ইম্মাকুলেট ক্লিনিক, জয়রামকুড়া হাসপাতাল, বিড়ইডাকুনী মিশনারী, রাংড়াপাড়া মন্ডলী, ট্রাইবাল ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের কালচারাল সেন্টার যেখানে আদিবাসি সংস্কৃতি চর্চা করা হয় নিরলস ভাবে, দর্শনের অন্যতম স্থান হিসেবে পরিচিত।সূর্যপুর গ্রামের স্লুইচ গেইট, মহিষ লেটী গ্রামের ওয়াচ টাওয়ার হতে পারে দর্শনার্থীর কাছে অন্যতম আকর্ষনীয় দর্শনভূমী। এই উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রামগুলো ছবির মত, এসব গ্রাম নদীর পাদদেশে পাহাড়েরর সংস্পের্শে এসে মিলিয়েছে। একেকটি গ্রাম যেন আদিবাসি পল্লী।আ।দিবাসি অধ্যুসিত চরবাঙ্গালিয়া গ্রাম, উপ মহাদেশের প্রথম নাইট উপাধি প্রাপ্ত মনীন্দ্র রেমার নাইট ভবন দর্শনের অন্যতম স্থান। এছাড়াও চার্চ অব বাংলাদেশের ডিনারী ঘুরে বেড়ানোর জন্য আকর্ষনীয় স্থান।

কিভাবে যাওয়া যায়:

বাস স্টেশন থেকে রিক্সা বাজ অটো রিটক্সার মাধ্যমে যাওয়া যায়। রিক্সা ভাড়া ১৫টাকা লাগবে । অটো রিক্সায় গেলে মধ্য বাজারের ধান মহাল মসজিদে নেমে পশ্চিমে দিকে ৪০০ গজ হেটে যেতে হবে।