মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলার ঐতিহ্য

সীমান্তবর্তী প্রান্তিক উপজেলা হালুয়াঘাট। মেনেং নদীর প্রান্ত ঘেষা হালুয়াঘাটে ঐতিহিৃক প্রতিপত্তি ও পরম্পরায় আবহমান কাল ধরে বসতি গড়ে আছে ক্ষুদ্র-নৃ গোষ্ঠী সম্প্রদায়। বৈচিত্রময় জীবন প্রবাহ এবং ঐশ্বর্যিক প্রতিপত্তি সম্পন্ন আদিবাসী নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে অত্র উপজেলায় বাস করছে গারো, ঢালু, বানাই, হুদি, হাজং নৃ-গোষ্ঠি সম্প্রদায়। বিরল সংস্কৃতি ও সামাজিক পরিক্রমার ঐতিহ্য হিসেবে মহান যুক্তিযুদ্ধে শহীদ বীর মুক্তি যোদ্ধাদের স্মরণে তেলেখালী সীমান্তে রয়েছে স্মৃতি স্তম্ভ। সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রুপে হালুয়াঘাটে বিদ্যমান আছে নাট্যমূলক সঙ্গীত ধারা জারি গান। অত্র উপজেলায় সনাতন পন্থীদের চিরায়িত নাট্য আঙ্গিক মহিষাসুর বধ পালা এতদ অঞ্চলের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে বিশ্ব নাট্যাঙ্গনে মেলে ধরেছে সমৃদ্ধির সাথে। শিব ভাস্কর্য, মাতা কামাখার মন্দির, শ্রী শ্রী রাধা কৃষ্ণের জিয়ন মন্দির, রাম কৃষ্ণ মঠ স্থাপনা সমূহ ঐতিহ্যক স্বকীয়তাকে আহব্বান করে।

দর্শা, কংশ, সিংগুয়া, বুড়াঘাট বিধোত হালুয়াঘাটের ঐতিহ্যবাহী ফসল বিড়ই ধান। অতিব সুগন্ধীযুক্ত বিড়ই চালের তৈরী পিঠা পায়েস সামাজিকতায় অনন্য।

পাহাড় বেষ্টিত হালুয়াঘাটে অত্যন্ত পরিচিত পাহাড়ি আলু কাসাভা যাকে গারো ভাষায় থাবুলছু বলা হয়। মাটির নিচের এই আলু ঐতিহৃবাহী খাবার হিসেবে এতদ এ অঞ্চলে স্বীকৃত।

হালুয়াঘাট উপজেলায় বিভিন্ন জাতির বসবাস। এর মধ্যে গারো হাজং, হিন্দু, মুসলিম লোক সহাবস্থান করে। ঈদ বড়দিন, দূর্গাপূজা ইত্যাদি ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো সকলে মিলে উদযাপন করে ফলে অনুষ্ঠানগুলো বর্ণিল হয়ে উঠে।